নামাজের বিধি-বিধান



                     নামাজের বিধি-বিধান 






নামাজের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করার বিধান :-


আরাফা দিবসের ফজরের সালাতের পর থেকে তাকবীরে তাশরীক শুরু করবে এবং কুরবানী দিবসের আসরের সালাতের পর তা শেষ করবে। এ হল ইমাম আবূ হানীফা (র.) এর মত। সাহেবাইন বলেন, আইয়ামে তাশরীকের শেষ দিন আসরের সালাতের পর তা শেষ করবে।
আরাফা দিবসের ফজরের সালাতের পর থেকে তাকবীরে তাশরীক শুরু করবে এবং কুরবানী দিবসের আসরের সালাতের পর তা শেষ করবে। এ হল ইমাম আবূ হানীফা (র.) এর মত। সাহেবাইন বলেন, আইয়ামে তাশরীকের শেষ দিন আসরের সালাতের পর তা শেষ করবে। বিষয়টি সম্পর্কে সাহাবায়ে কিরামের
মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই সাহেবাইন আলী (রা.) এর মত গ্রহণ করেছেন, দিবসের সংখ্যাধিক্যের উপর প্রেক্ষিতে। কেননা, ইবাদতের ব্যাপারে এতেই সতর্কতা রয়েছে। পক্ষান্তরে ইমাম আবূ হানীফা (র.) নিম্নতর সংখ্যার উপর আমল করার উদ্দেশ্যে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.)
এর মত গ্রহণ করেছেন। কেননা উচ্চৈস্বরে তাকবীর বলার মধ্যে নতুনত্ব রয়েছে (তাই নিশ্চিতের উপর আমল করা শ্রেয়ঃ)।
আর তাকবীর হল একবার বলবেঃ কেননা ইবরাহীম খলীলুল্লাহ্‌ আলায়হিস সালাম থেকে এরূপই বর্ণিত রয়েছে। আর এইটি ফরজ সালাতসমূহের পর ওয়াজিব। ইমাম আবূ হানীফার মতে শহরে মুস্তাহাব জামা’আতে সালাত আদায়কারী মুকীমদের উপর। সুতরাং স্ত্রী লোকদের জামা’আতের ক্ষেত্রে
যেখানে কোন পুরুষ নেই, এবং মুসাফিরদের জামা’আতের বেলায় যাদের সঙ্গে কোন মুকীম নেই, সেখানে তা ওয়াজিব হবে না। সাহেবাইন বলেন, তা ওয়াজিব ফরজ সালাত আদায়কারী প্রত্যেকের উপর। কেননা এ তাকবীর ফরজ সালাতের অনুগামী । ইমাম আবূ হানীফা (র.) এর দলীল হল ইতোপূর্বে
আমাদের বর্ণিত হাদীছ। তাশরীক অর্থ উচ্চৈস্বরে তাকবীর বলা। খলীল ইব্‌ন আহমদ থেকে এটি বর্ণিত। তাছাড়া উচ্চৈস্বরে তাকবীর বলা সুন্নতের খিলাফ।
আর শরীআতে এর প্রমাণ পাওয়া যায় উপরোক্ত শর্তসমূহ একত্র হওয়ার বেলায়। অবশ্য স্ত্রী লোকেরা পুরুষের পিছনে ইকতিদা করলে এবং মুসাফিরগণ মুকীমের পিছনে ইকতিদা করলে অনুগামী হিসেবে তাদের উপরও (তাকবীরে তাশরীক) ওয়াজিব হবে। ইমাম (আবূ ইউসূফ) ইয়া’কূব( র.)
বলেন, আরাফা দিবসে মাগরিবের সালাতে আমি ইমামতি করলাম এবং তাকবীর বলতে ভুলে গেলাম। তখন ইমাম আবূ হানীফা (র.) তাকবীর বললেন। এতে প্রমাণিত হয় যে, ইমাম তাকবীর তরক করলেও মুক্তাদী তা তরক করবে না। কেননা এটা সালাতের তাহরীমার মধ্যে আদায় করা হয় না। সুতরাং
তাতে ইমাম অপরিহার্য নন। বর‌ং ইমামের অনুরণ মুস্তাহাব মাত্র।





Post a Comment

0 Comments